নির্বাচনী পরিক্রমা- আজকের জেলা মালদহ
কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক : বাংলার ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ৮ দফা ভোটগ্রহণ পর্ব চলবে। ২৯৪ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভা নির্বাচনে এবার ভোটগ্রহণ কেন্দ্র সংখ্যা ১ লক্ষ ১ হাজার ৯১৬টি। একুশের এই নির্বাচনে জেলাওয়াড়ি একঝলক ভোট- চিত্র তুলে ধরছি আমরা।
এবারের জেলা- মালদহ। এই জেলায় আসন সংখ্যা মোট ১২টি। নির্বাচনী নির্ঘন্ট- সপ্তম দফা (২৬ এপ্রিল) এই দফায় ৬টি কেন্দ্রে ভোট হবে। আবার অষ্টম দফা (২৯ এপ্রিল) ৬টি কেন্দ্রে নির্বাচন হবে। সপ্তম দফায় যেসব কেন্দ্রে ভোট হবে সেগুলি হল- হরিশচন্দ্রপুর, মালতীপুর, চাঁচল, রতুয়া, গাজোল ও হবিবপুর। অষ্টম দফায় ভোট হবে সেগুলি হল- মালদহ, ইংলিশবাজার, মানিকচক, মোথাবাড়ি, সুজাপুর ও বৈষ্ণবনগর।
গত বিধানসভা নির্বাচনে যে চিত্র ছিল তা একনজর। বিধানসভা কেন্দ্র ও বিজয়ীরা হলেন- হরিশচন্দ্রপুর- মোস্তাক আলম (তৃণমূল), মালতীপুর- আলবেরুনি জুলকারনাইন (তৃণমূল), চাঁচল- আসিফ মেহবুব (তৃণমূল), রতুয়া- সমর মুখোপাধ্যায় (তৃণমূল), গাজোল- দীপালি বিশ্বাস (বিজেপি), হবিবপুর- জোয়েল মুর্মু (বিজেপি), মালদহ- ভূপেন্দ্রনাথ হালদার (তৃণমূল), ইংলিশবাজার- নীহাররঞ্জন ঘোষ (তৃণমূল), মানিকচক- মোত্তাকিন আলম (তৃণমূল), মোথাবাড়ি- সাবিনা ইয়াসমিন (তৃণমূল), সুজাপুর- ইসা খান চৌধুরি (তৃণমূল) এবং বৈষ্ণবনগর- স্বাধীন সরকার (বিজেপি)।
জেলা-পরিক্রমা করে স্থানীয় মানুষদের যে দাবি উঠে এসেছে তা হল- কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের ঋণ প্রদান, চাঁচল ও গাজোলকে পুরসভা শহরের মর্যাদা দেওয়া প্রভৃতি বিষয় রয়েছে। এছাড়া নিকাশি ও জঞ্জাল সমস্যা দূর করা, হরিশচন্দ্রপুর, রতুয়া ও মোথাবাড়িতে ডিগ্রি কলেজের বিষয় রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর মালদহে কয়েকটি নদী ও খালের ওপর পাকা সেতুর বিষয় রয়েছে। হরিশচন্দ্রপুর বিধানসভায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ও সরকারি বাস পরিষেবার বিষয়টি সামনে এসেছে।
উল্লেখযোগ্য দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে- মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উন্নতি ও মালদহ রাজ্য সড়ক সংস্কারের বিষয়টি রয়েছে। এছাড়া মালদহ-মানিকচক রাজ্য সড়ক সংস্কারে আর্থিক বরাদ্দ ও হরিশচন্দ্রপুর-২ নম্বর ব্লকে বিদ্যুতের সাব-স্টেশন প্রভৃতি বিষয় রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলায় ভাঙনরোধে উদ্যোগের বিষয়টি সামনে এসেছে। জেলায় আর্সেনিকমুক্ত পানীয় জল সরবরাহ করার বিষয়টিও রয়েছে।
জেলার বিভিন্ন প্রান্তে খোঁজ-খবর নিয়ে আমাদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন মানুষের বিভিন্ন অভিযোগও। নারায়ণপুর শিল্পতালুক সম্পর্কে স্থানীয় মানুষের অভিযোগ রয়েছে। শিল্প ক্ষেত্র প্রসারিত হয়নি। কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হয়নি। নদী ভাঙন নিয়ে অভিযোগও রয়েছে। দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগও উঠছে। এখনও বরকত গণিখান চৌধুরি মালদহের রাজনীতিতে অটুট রয়েছেন। প্রকৃত উন্নয়ন তিনিই করেছেন বলে স্থানীয়ভাবে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে।
খবরটি পড়ে ভাল লাগলে লাইক-কমেন্ট ও শেয়ার করে পাশে থাকবেন।

